ইসরাইলের বিরুদ্ধে দুই ধরনের মৌলিক যুদ্ধ সবসময় চালিয়ে যেতে হবে, একটি হল Fighting with diplomacy এবং অপরটি হল Fighting in Battle ground । এক্ষেত্রে PLO এর পুরনো ভূমিকায় ফিরতে হবে। ফাতাহ ও হামাসকে ফিলিস্তিনের পক্ষে সর্বোচ্চ কাজ করে যেতে হবে। যেন ইজরায়েল একইসাথে কূটনৈতিকভাবে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সামরিকভাবেও চাপে থাকে। এক্ষেত্রে আরব উপদ্বীপের রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গুলোর পক্ষে সবচাইতে বড় কর্মকাণ্ড হবে এটাই যে, তারা সারা পৃথিবীতে ইসরাইল আগ্রাসন বিরোধী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবে। এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর ইজরায়েলের যত ধরনের আগ্রাসী ভূমিকায় আসবে সেগুলোকেই কূটনৈতিক নীতির মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে হবে। কেননা আরব রাজতান্ত্রিক দেশ গুলির উপর এমনিতেই কথিত মানবাধিকারসহ আরো অন্যান্য বিভিন্ন চাপ আছে। আবার এসব মানবাধিকারের পেছনেও ইসরায়েল ও ইসরায়েলকে সমর্থনকারী পরাশক্তির নিয়ন্ত্রণ আছ। আরও সুবিধাজনক হলো অন্যান্য মুসলিম বিশ্বের উচিত বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে আরব রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সমূহকে সমর্থন করা। যেন তারা তাদের নিজেকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের একান্তই সমর্থন হীন মনে না করে। একই...