লোকসংস্কৃতি হলো, "লোকসম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্বাস, আচার-আচরণ, জীবন-যাপন পদ্ধতি ও সাংস্কৃতিক মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সংস্কৃতি।" এটা সম্পূর্ণই তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি। দীর্ঘকাল ধরে গড়ে ওঠা এই সংস্কৃতি তাদের প্রকৃত পরিচয় বহন করে। বাংলাদেশের সংস্কৃতির ধারা তিনটি: নগরসংস্কৃতি, গ্রামসংস্কৃতি ও উপজাতীয় সংস্কৃতি। বাংলাদেশ যেহেতু একটি গ্রাম প্রধান দেশ। গ্রামের বিশাল জনগোষ্ঠী নিজস্ব জীবনপ্রণালীর মাধ্যমে শতকের পর শতক ধরে যে বহুমুখী ও বিচিত্রধর্মী সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে, তা-ই বাংলার লোকসংস্কৃতি নামে অভিহিত। বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি মূলত হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন লোকজ ও পৌরাণিক দেব-দেবী। যেমন: (লক্ষ্মী, মনসা,শীতলা, ষষ্ঠী, ওলাদেবী, বনদূর্গা) এর প্রচলিত বিশ্বাস এবং এসব দেব-দেবীর বিপরীতে নিম্নবর্গের মুসলমানদের বিভিন্ন কাল্পনিক চরিত্র। যেমন:(সত্যপীর, গাজীপীর, মানিকপীর, মাদারপীর, খোয়াজ খিজির, ঘোড়াপীর, বনবিবি, ওলাবিবি, হাওয়া বিবি)উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সত্যনারায়ণ ও সত্যপীর, বনদুর্গাদুর্গা ও বনবিবি যে একই ভাবনার ভিন্ন রূপ তাতে সন্দেহ নেই। এছাড়াও বলীখেলা, নৌকা বাইচ,...
আমি মাঝেমধ্যে সার্কেলে একটা কথা বলি, কাতারের কূটনৈতিক সক্ষমতা প্রচুর। মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ সমূহের মধ্যে একমাত্র কাতারের নিজস্ব কূটনৈতিক দৃষ্টি ভঙ্গি আছে। তারা অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ যেমন: সৌদি আরব, আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান এর মত গঁদ বাধা মুখস্ত আঞ্চলিক রাজনীতি করেনা। আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিষয়াবলী কাতারের অবস্থান সবসময়ই ভারসাম্যপূর্ণ হয়। বিগত সময়গুলোতে ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুর ইস্যু, ফিলিপাইন- মিন্দারাও ইস্যু, কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তান ইস্যুতে কাতারের অবস্থান মুসলিম বিশ্বে সবসময়ই প্রশংসনীয়। ফিলিস্তিন ইস্যতে বিশেষ করে গাজার প্রতি কাতারের অবস্থান অন্যান্য যেকোন আরব দেশের চেয়ে শক্তিশালী ও সুস্পষ্ট। কাতার রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতি কাতার অবস্থান খুবই ভারসাম্য পূর্ণ। যেখানে সৌদি আরব, আমিরাত, বাহরাইন, এরমত রাজতান্ত্রিক দেশগুলো ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন গুলোর সরাসরি বিরুধিতা করে। এবংকি নির্মুলে সব ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত সেখানে কাতারের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। কাতার নিজে রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয়েও মিশরের ব্রা/দা/র/হ...