ইসরাইলের বিরুদ্ধে দুই ধরনের মৌলিক যুদ্ধ সবসময় চালিয়ে যেতে হবে, একটি হল Fighting with diplomacy এবং অপরটি হল Fighting in Battle ground । এক্ষেত্রে PLO এর পুরনো ভূমিকায় ফিরতে হবে। ফাতাহ ও হামাসকে ফিলিস্তিনের পক্ষে সর্বোচ্চ কাজ করে যেতে হবে।
যেন ইজরায়েল একইসাথে কূটনৈতিকভাবে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সামরিকভাবেও চাপে থাকে।
এক্ষেত্রে আরব উপদ্বীপের রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গুলোর পক্ষে সবচাইতে বড় কর্মকাণ্ড হবে এটাই যে, তারা সারা পৃথিবীতে ইসরাইল আগ্রাসন বিরোধী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাবে। এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর ইজরায়েলের যত ধরনের আগ্রাসী ভূমিকায় আসবে সেগুলোকেই কূটনৈতিক নীতির মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে হবে।
কেননা আরব রাজতান্ত্রিক দেশ গুলির উপর এমনিতেই কথিত মানবাধিকারসহ আরো অন্যান্য বিভিন্ন চাপ আছে। আবার এসব মানবাধিকারের পেছনেও ইসরায়েল ও ইসরায়েলকে সমর্থনকারী পরাশক্তির নিয়ন্ত্রণ আছ।
আরও সুবিধাজনক হলো অন্যান্য মুসলিম বিশ্বের উচিত বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে আরব রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সমূহকে সমর্থন করা। যেন তারা তাদের নিজেকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের একান্তই সমর্থন হীন মনে না করে।
একই এসব আরব সম্পদশালী রাষ্ট্রের উচিত একক কোন পরাশক্তির উপর নির্ভর না করে, সকল পরাশক্তির সাথ ভারসাম্য পূর্ণ সম্পর্ক রাখা (এক্ষেত্রে আরব আমিরাতের কথা উল্লেখ্য করা যেতে পারে) । কেননা এই পরাশক্তি গুলো বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেরাই নিজেদেরই প্রতিযোগী। যার সুযোগ বিভিন্ন ক্রিটিকাল মুহূর্তে নেওয়া যাবে।
আর যে সমস্ত দেশে ডেমোক্রেসি বিদ্যমান সেই সমস্ত মুসলিম দেশগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যে সমস্ত সংগঠন রয়েছে তাদেরকে কূটনৈতিক সমর্থনের পাশাপাশি সামরিক সমর্থন এবং কৌশলগত সমর্থন চালিয়ে যেতে হবে।
আর যে সমস্ত মুসলিম দেশ তৃতীয় বিশ্বের। অর্থাৎ যারা এখন পর্যন্ত নিজেদেরকে অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বদরবারে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থিত করতে উপস্থাপন করতে পারেনি (যেমন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান, আজারবাইজান, ওমান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ইত্যাদি) তাদের উচিত হবে পৃথিবীর অন্যান্য তৃতীয় বিশ্বের সমস্ত দেশ রয়েছে এবং যারা (জোটনিরপেক্ষ / সম্রাজ্যবাদ বিরুধি) সেসব দেশকে সাথে নিয়ে খুব শক্তিশালী ভাবে ফিলিস্তিনির পক্ষে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো।
তবে আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি ইস্যুতে তার প্রশংসনীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।
তবে এক্ষেত্রে বেস্ট অপশন হবে Two State Solution । অথবা সৌদি আরব প্রস্তাবিত Arab Peace Initiative।

মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর লিখনি
ReplyDeleteThanks for your support
Delete