আমি মাঝেমধ্যে সার্কেলে একটা কথা বলি,
কাতারের কূটনৈতিক সক্ষমতা প্রচুর। মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ সমূহের মধ্যে একমাত্র কাতারের নিজস্ব কূটনৈতিক দৃষ্টি ভঙ্গি আছে। তারা অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ যেমন: সৌদি আরব, আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান এর মত গঁদ বাধা মুখস্ত আঞ্চলিক রাজনীতি করেনা। আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিষয়াবলী কাতারের অবস্থান সবসময়ই ভারসাম্যপূর্ণ হয়।
বিগত সময়গুলোতে ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুর ইস্যু, ফিলিপাইন- মিন্দারাও ইস্যু, কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তান ইস্যুতে কাতারের অবস্থান মুসলিম বিশ্বে সবসময়ই প্রশংসনীয়। ফিলিস্তিন ইস্যতে বিশেষ করে গাজার প্রতি কাতারের অবস্থান অন্যান্য যেকোন আরব দেশের চেয়ে শক্তিশালী ও সুস্পষ্ট। কাতার রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতি কাতার অবস্থান খুবই ভারসাম্য পূর্ণ। যেখানে সৌদি আরব, আমিরাত, বাহরাইন, এরমত রাজতান্ত্রিক দেশগুলো ইসলামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন গুলোর সরাসরি বিরুধিতা করে। এবংকি নির্মুলে সব ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত সেখানে কাতারের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। কাতার নিজে রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হয়েও মিশরের ব্রা/দা/র/হু/ড, ফিলিস্তিনের হা/মা/স, আফগানিস্তানের তা/লে/বা/ন, তিউনিসিয়া বা তুরস্কের একে পার্টির প্রতি কাতার সমর্থন প্রদানের পাশাপাশি আর্থিক ও রাজনৈতিক সুবিধা প্রদান করে। অতিসম্প্রতি মার্কিন - তা/লে/বা/ন সম্পর্ক এর জলন্ত প্রমাণ। সম্প্রতি গাজা ইস্যুতেও কাতারের অবস্থান সুস্পষ্ট। কাতার সরাসরি হামাসের সামরিক অভিযান সমর্থন করেছে।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কাতারের মিডিয়া কাভারেজ প্রশংসা যোগ্য। অন্যান্য আরব দেশের নিরব ভূমিকা বিশ্বের সাধারণ মুসলমানদের আহত করলেও কাতারের অবস্থান বিরাট অংশে প্রশংসনীয়।
এবংকি OIC তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইসরায়েল বিরুধি কঠোর অবস্থান যেকোন আরব দেশের চেয়ে শক্তিশালী ছিলো। সর্বশেষ গাজার সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধ বিরতি কাতারের আরও একটি কূটনৈতিক দক্ষতার উদাহরণ।

_-_QAT_-_UNOCHA.svg.png)

Comments
Post a Comment